জাতীয়

বাল্যবিবাহ বন্ধ হউক,শিক্ষায় আলোকিত হউক মেয়েদের জীবন!

বাল্যবিবাহ বন্ধ হউক,শিক্ষায় আলোকিত হউক মেয়েদের জীবন!
নিজস্ব প্রতিবেদক– বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল রাষ্ট্র!!  এদেশে  বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা রয়েছে, তারমধ্যে বাল্যবিবাহ অন্যতম!!  সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন জেলায় বাল্যবিবাহ বেড়েছে!! বিশেষ করে দক্ষিণ পূর্ব অঞ্চলের জেলা চাঁদপুরের বিভিন্ন উপজেলায় অনেক বাল্যবিবাহ হয়েছে!! এদেশের মোট জনসংখ্যার ৩০% লোকের বয়স ১৮ বছরের মধ্যে!! সরকারি নিয়মানুযায়ী ছেলেদের বিবাহের বয়স ২১,আর মেয়েদের বয়স ১৮!! কিন্ত ওই এলাকায় বিগত ৩ মাসে অন্তত ১০-১৫ টি বাল্যবিবাহ হয়েছে, যেখানে মেয়েদের বয়স ১৩-১৫ বছর!!যা চিন্তার বিষয়!! মতলব উত্তর, দক্ষিন,কচুয়া,সদর,হাইমচর,শাহরাস্তি,উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, দারিদ্র্যতা বাল্যবিবাহের অন্যতম কারণ! পরিবারের লোকজন দারিদ্র্যতার কারনে মেয়েদের তাড়াতাড়ি বিবাহ দিচ্ছে, অনেক সময় মেয়েদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত নেয়া হচ্ছে,যেই বয়সে লেখাপড়া করার কথা, সেই বয়সে তারা সংসার করছে,তাদের অভিভাবকদের মধ্যে সচেতনতার অভাব রয়েছে, তারা মেয়েদের শিক্ষার ব্যপারে আগ্রহী না!!তাদের চিন্তা মেয়েদের বেশি লেখাপড়া দরকার নেই তাদের মধ্যে বিয়ে দিয়ে খরচ কমানোর চিন্তা কাজ করে,অনেক সময় বিভিন্ন লোভে পরে তারা মেয়েদের বিয়ে দিয়ে দিচ্ছে!! স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসন এর সাথে কথা বলে জানা গেছে,তারা এই ব্যাপারে যথাযথ ভূমিকা নিতে চেষ্ঠা করছেন!! যারা এইসমস্ত অন্যায় কাজ করছেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনঅনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে!! কারণ বাল্য বিবাহ আইন অনুযায়ী সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ! যদিও সাম্প্রতিক সময়ে অনেক গুলো বাল্যবিবাহ হয়েছে, যা অপ্রত্যাশিত! তারা বলছেন আমরা তাদের বাল্যবিবাহ এর ক্ষতিকর দিকগুলো বুঝানোর চেষ্টা করতেছি!!কয়েকটি বিবাহ বন্ধ করেছি!! আমরা বুঝাব,মেয়েরা সংসারের বোঝা নয়,ছেলেদের মত সুযোগ পেলে,তারাও সংসারের আশার আলো হতে পারে!!অনেক পরিবার বলছে,বাল্যবিবাহের কারনে তাদের মেয়েদের বিভিন্ন সমস্যা হয়েছে!! তারা না বুঝে বিয়ে দিয়ে দিয়েছেন!!তবে যেটাই হউক,সচেতনতা, এবং শিক্ষাই পারে বাল্যবিবাহ বন্ধ করতে,!!কারন এখন বাংলাদেশ সরকার মেয়েদের শিক্ষার ব্যপারে যথেষ্ট সুযোগ সুবিধা দিচ্ছেন!! তাই তাদের উচিত এই সুযোগ গ্রহণ করা!! মেঘনা নদীর অববাহিকায় অবস্থিত চাঁদপুর জেলায় এই সমস্যা অতিদ্রুত নিরসন হবে এমনটাই সবাই প্রত্যাশা করে!!যথাযথ ভূমিকা নিতে পারলে এই সমস্যা দ্রুত অতিক্রম করা সম্ভব মনে করেন,এই জেলার সচেতন নাগরিকবৃন্দ,এবং সুশীল সমাজ,তবে কতটুকু সফল হবে, সেটা নীতিনির্ধারকদের উপর নির্ভর করবে!! এই ব্যপারে সরকার, প্রশাসন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, এবং সামগ্রিকভাবে জনসাধারণের সহযোগিতা, সচেতনতা পারবে বাল্যবিবাহ বন্ধ করতে!! সব মেয়েরা শিক্ষার আলোয় আলোকিত হউক এটাই প্রত্যাশা!! একজন সুনাগরিক হয়ে দেশের কল্যাণে ভূমিকা রাখুক!!
প্রতিবেদক: মো: তানিম প্রধান।

Comment here