জাতীয়

ইচ্ছেদের গল্প

ইচ্ছেদের গল্প

রাস্তায় পড়ে থাকা ছোট ছোট পথশিশুগুলোকে নিয়ে কাজ শুরু করেছিলো স্মাইল- সিক্রেট অফ ইউর হ্যাপিনেস।

তাদের উদ্দেশ্য ছিলো তাদের জন্য কিছু করবে। তাদের যাতে কেউ পথশিশু না বলতে পারে তাই তাদের একটা নাম দেয়া হয় ইচ্ছে। আর তাদের হাসি ফুটিয়ে তোলার জন্য যুক্ত হয় ইচ্ছের হাসি। তারপর তাদের মানুষ করে গড়ে তোলার জন্য তাদের জন্য সারা বাংলাদেশে চালু করা হয় একটি করে ইচ্ছের হাসি স্কুল।

যেখানে ইচ্ছেরা তাদের ইচ্ছেমতো পড়াশোনা করতে পারছে।  তাদের স্বপ্ন কে বাস্তবায়ন করতে স্মাইলের দুই হাজার এর ওপর স্বেচ্ছাসেবক কাজ করছে দিন রাত। ইচ্ছেদের যাতে জামা কাপড়ে কষ্ট না হয় তার জন্য বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় গড়ে তুলেছে ইচ্ছের দেয়াল। যেখান থেকে ইচ্ছেরা ইচ্ছেমতো জামাকাপড় নিয়ে তাদের বস্রের অভাব পূরন করতে পারছে।   স্মাইলের স্বপ্ন একজন ইচ্ছেকে মানুষ করতে পারলে এমন ইচ্ছেরা আরো হাজরো ইচ্ছের স্বপ্ন পূরনে এগিয়ে আসবে। তাইতো স্মাইল ইচ্ছেদের উদ্যেশ্যে বলে…   তুমি হাসলেই হাসবো আমরা আর হাসবে বাংলাদেশ।

Comment here